প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা আবুল হাশেমের মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার শোক
যুক্তরাজ্য শাখা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবুল হাশেম লন্ডনের কিংস কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। যুক্তরাজ্যের অত্যন্ত পরিচিত বাঙালি মুখ প্রবীণ রাজনীতিক আবুল হাশেমের মৃত্যুতে আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত আবুল হাশেম ছাত্রজীবন থেকেই যুক্তরাজ্যে প্রবাসী বাঙালি সমাজকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে সংগঠিত করতে এবং দলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় দীর্ঘদিন নেতৃস্থানীয় ভূমিকা রেখেছেন। ১৯৬৮ সালে যুক্তরাজ্যে ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। এবং যুক্তরাজ্য ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন। যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সেমিনার-সিম্পোজিয়ামে দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তাঁর মৃত্যুতে যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারালেন এবং আমি হারালাম একজন অভিভাবকতুল্য শুভাকাঙ্ক্ষীকে।
প্রয়াত আবুল হাশেম মুক্তিযুদ্ধকালে প্রবাসে জনমত গঠনে অত্যন্ত গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর মতো অভিজ্ঞ ও দক্ষ সংগঠকের অভাব পূরণ হবার নয়, দেশের বর্তমান সংকটকালে তাঁকে অনেক বেশি প্রয়োজন ছিল। যুক্তরাজ্যের একজন প্রবীণ ও শীর্ষস্থানীয় নেতা হিসেবে দেশ ও দলের জন্য অধ্যাপক আবুল হাশেমের দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের অবদানকে আমি কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করছি।
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই কন্যা, নাতিনাতনি সহ দেশ-বিদেশের অসংখ্য বন্ধু-স্বজন, সহকর্মী-সহযোদ্ধা ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার এবং শোকাহত সকলের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।
আমি মরহুমের জীবন ও কর্মের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি এবং তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
আঁধার কেটে ভোর হোক
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ




































