বুধবার , ০১ জুলাই ২০২৬
Wednesday , 01 July 2026
২০২৬৭ ২০২৬৩ ২০২৬১

আনসার আহমেদ উল্লাহ

প্রকাশিত: ১৮:৪৭, ৩০ জুন ২০২৬

যুক্তরাজ্যে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন

যুক্তরাজ্যে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটিশহীদ জননী জাহানারা ইমামের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ২৬ জুন শুক্রবার পূর্বলন্ডনে সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি সৈয়দ এনামুল ইসলাম এবং সঞ্চালনা করেন সহ-সাধারণ সম্পাদক শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বেলাল।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কমিটির উপদেষ্টা ও সাবেকমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন গণতন্ত্রী পার্টিরপ্রেসিডিয়াম সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল আলম বাবলু,অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন তাপস কান্তি বাউল।উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন হরমুজ আলী স্বাধীন খসরু,সায়েদ আহমেদ সাদ,সৈয়দ এহসান,আব্দুল হান্নান,আনিছুর রহমান আনিছ,আব্দুল বাছির, সুসান্ত দাস গুপ্ত,কাউন্সিলর পুস্পিতা দেব রায়,ফরিদ আহমেদ ঈমন প্রমুখ।উপস্থিত ছিলেন,সাবেক সভাপতি নুরউদ্দিন আহমেদ,মতিয়ার চৌধুরী,ড.আনছার আহমেদ উল্লাহ,শাহাবুদ্দিন বাচ্চু,জামাল আহমেদ খান,নয়নিকা ঘোষ,মুশফিক জায়গীরদার।
আলোচনার বিষয় ছিল “ফিরে দেখা: ২০১৩ সালের শাহবাগ আন্দোলন ওশহীদ জননী জাহানারা ইমাম”। বক্তারা বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধেজাহানারা ইমামের অবদান, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে তাঁর দীর্ঘ আন্দোলন এবং ১৯৯২ সালের গণআদালত কর্মসূচির তাৎপর্য তুলে ধরেন।

বক্তারা বলেন, জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা গণআদালত আন্দোলনপরবর্তীকালে ২০১৩ সালের শাহবাগভিত্তিক গণজাগরণ মঞ্চের আদর্শিকভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিকে নতুন প্রজন্মেরআন্দোলনে রূপ দেয়। যুক্তরাজ্য একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটিরএক মুখপাত্র বলেন, “জাহানারা ইমামের সাহস ও আদর্শ আজও আমাদেরঅনুপ্রাণিত করে। তাঁর আত্মত্যাগকে স্মরণ করতে এবং শাহবাগআন্দোলনের সঙ্গে তাঁর ভাবনার ঐতিহাসিক যোগসূত্র নিয়ে আলোচনাকরতেই যুক্তরাজ্যের প্রবাসী বাংলাদেশিরা আজ একত্রিত হয়েছেন।”

শহীদ জননী জাহানারা ইমাম ‘শহীদ জননী’ নামে সর্বাধিক পরিচিত। ১৯৯২সালে তাঁর নেতৃত্বে পরিচালিত গণআদালত আন্দোলন বাংলাদেশেরমুক্তিযুদ্ধের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার দাবিতে জনমত গড়ে তুলতেগুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অনুষ্ঠানের বক্তারা বলেন, ন্যায়বিচার, ইতিহাস সংরক্ষণ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে তাঁর অবদান আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়