ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আজ স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
মরণোত্তর সম্মাননায় বেগম খালেদা জিয়া
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর স্বাধীনতা, গণতন্ত্র রক্ষা এবং নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে অসামান্য অবদানের জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে (মরণোত্তর) স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।
পুরস্কারপ্রাপ্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
বেগম খালেদা জিয়া ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ১৪ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে:
-
মুক্তিযুদ্ধ: মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর)।
-
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জহুরুল করিম (সাবেক সচিব ও মহাপরিচালক, বিআরআরআই)।
-
সাহিত্য: আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর)।
-
সংস্কৃতি: হানিফ সংকেত (জনপ্রিয় উপস্থাপক, 'ইত্যাদি') ও বশীর আহমেদ (সংগীতশিল্পী, মরণোত্তর)।
-
ক্রীড়া: জোবেরা রহমান লিনু (টেবিল টেনিস কিংবদন্তি)।
-
সমাজসেবা: ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক এবং মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর—মাইলস্টোন স্কুলের প্রয়াত শিক্ষক)।
-
জনপ্রশাসন: কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর)।
-
গবেষণা ও প্রশিক্ষণ: মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক এম এ রহিম এবং অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া।
-
পরিবেশ সংরক্ষণ: মুকিত মজুমদার বাবু (চেয়ারম্যান, প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন)।
পুরস্কারপ্রাপ্ত ৫ প্রতিষ্ঠান
প্রাতিষ্ঠানিক ক্যাটাগরিতে এ বছর ৫টি সংস্থাকে সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে:
-
মুক্তিযুদ্ধ: ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ।
-
চিকিৎসাবিদ্যা: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
-
পল্লী উন্নয়ন: পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)।
-
সমাজসেবা: এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ।
-
স্বাস্থ্যসেবা/সমাজসেবা: গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।
স্বাধীনতা পুরস্কারের নেপথ্যে
এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সরকার এই সম্মাননা দিয়ে আসছে।
পুরস্কারের মানদণ্ড: প্রত্যেক বিজয়ীকে ৫ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রাম স্বর্ণপদক, পদকের একটি রেপ্লিকা এবং একটি সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।





































